‘হিজাব’ নিয়ে বির্তকিত মন্তব্য বিজেপি বিধায়কের, রাজস্থানে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের

- আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০২৪, মঙ্গলবার
- / 8
জয়পুর, ৩০ জানুয়ারি: ‘হিজাব’ নিয়ে বিজেপি বিধায়কের বির্তকিত মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের। সোমবার রাজস্থানের জয়পুরে স্কুলের বাইরে রাস্তা অবরোধ করে পড়ুয়ারা। পুলিশ স্টেশনের বাইরেও বিক্ষোভ দেখিয়ে বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
গত ২৭ জানুয়ারী, শনিবার গঙ্গাপাল এলাকার এক সরকারী স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের হাওয়া মহলের বিজেপি বিধায়ক বালমুকুন্দ আচার্য। তিনি বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রকাশ্যে হিজাবের বিরোধিতা করেন। স্কুলে হিজাব পরতে দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন আচার্য। অভিযোগ, বক্তব্যে বারংবার ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে থাকেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল এক ভিডিয়ো দেখা গিয়েছে, আচার্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হিজাব পরার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে বারবার আপত্তি জানিয়ে বলছেন, “স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করছে হিজাব। পড়ুয়াদের ভিড়ের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষকে ‘হিজাব নিষিদ্ধ’ করার নির্দেশ দিতে দেখা যায়। পাশাপাশি ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানও দেন বিজেপি বিধায়ক।
लोकेशन : जयपुर ,राजस्थान
हिजाब पर आपत्तिजनक टिपण्णी करते हुए मुस्लिम छात्राओ से लगवाए जय श्री राम के नारे।
मुस्लिम छात्राओ ने थाने का बाहर किया प्रदर्शन।
हवामहल राजस्थान विधायक बालमुकुंद आचार्य ने हिजाब पर आपत्तिजनक टिप्पणी करते हुए कहा स्कूल में कोई हिजाब नहीं पहनेगा और जय… pic.twitter.com/CDClY4KRqc
— The Muslim (@TheMuslim786) January 29, 2024
এক পড়ুয়া বলেন, “উনি আমাদের বার্ষিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন। আমরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। স্কুলে হিজাব পরার অনুমতি দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন।” উল্লেখ্য, গঙ্গাপাল গার্লস স্কুলে রয়েছে ৮৫ শতাংশ মুসলিম পড়ুয়া। বার্ষিক অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক পড়ুয়ারা হিজাব পরেই স্কুলে এসেছিল। পড়ুয়াদের প্রশ্ন, “আমাদের হিজাব পরা বন্ধ করার তিনি কে!” তাদের বক্তব্য, আচার্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন।
তাঁর এই বির্তকিত মন্তব্যের পরই বিক্ষোখ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। সুভাষ চক থানা ঘেরাও করে বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। ওই মন্তব্যের জন্য তাঁকে ক্ষমা চাইতে হবে বলেও দাবি তোলেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। ‘বাবা মাফি মাঙ্গেগা’ বলে চিৎকার করতে দেখা যায় পড়ুয়াদের।