০৬ এপ্রিল ২০২৫, রবিবার, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য অভিনেতা মনোজ কুমারের

চামেলি দাস
  • আপডেট : ৫ এপ্রিল ২০২৫, শনিবার
  • / 10

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  শনিবার দেশভক্ত’ মনোজ কুমারের পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল। তিনটি তোপধ্বনি দিয়ে অভিনেতাকে শেষ বিদায় জানানো হয়। জুহুর পবন হংস শ্মশানে মনোজ কুমারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অভিনেতাকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন এবং সেলিম খান।

আরও পড়ুন : আবারও হাজিরা এড়ালেন কুণাল কামরা, এবার কুণালকে বয়কট করল BookMYShow

সাড়ে ১১টা নাগাদ মনোজ কুমারের শেষকৃত্যু শুরু হয়। অভিনেতার দুই ছেলে বিশাল এবং কুণাল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা অভিনেতা তথা পরিচালকের মুখে আগুন দেন। শুক্রবার মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন ‘ভারত কুমার’। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অভিষেক বচ্চন, আরবাজ খান, সুভাষ ঘাই, আনু মালিক, জায়েদ খান, প্রেম চোপড়া এবং রাজপাল যাদব শ্মশানে হাজির ছিলেন। সকালে অভিনেতার বাড়িতে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর অ্যাম্বুল্যান্স করে তাঁকে শ্মশানে আনা হয়।  জাতীয় পতাকা দিয়ে অভিনেতার দেহ ঢেকে রাখা হয়। অভিনেতার বাসভবনে গিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, পরিচালক মধুর ভাণ্ডারকর, ফারহা খান এবং তাঁর ভাই সাজিদ খান-সহ অন্যান্য বলি তারকারা।

‘শহিদ’, ‘উপকার’, ‘পূরব আর পশ্চিম’ এবং ‘রোটি, কাপড়া আর মাকান মনোজ কুমার অভিনীত জনপ্রিয় ছবি। এই সব দেশাত্মবোধক ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ‘ভারত কুমার’ নামে পরিচিত হন। অবিভক্ত ভারতের অ্যাবোটাবাদ শহর যা বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত, এক পাঞ্জাবি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সিনেমায় অভিনয় শুরু করার আগে তাঁর নাম ছিল হরিকৃষ্ণণ গোস্বামী। স্বাধীনতার বছর অর্থাৎ ১৯৪৭ সালে দিল্লিতে চলে আসেন অভিনেতার পরিবার। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন। সিনেমায় অভিনয় করার জন্য মুম্বই চলে আসেন। মনোজ কুমারের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হল  ‘হিমালয় কি গোদ মে’, ‘দো বদন’, ‘পাত্থার কে সনম’, ‘হরিয়ালি অর রাস্তা’, ‘ক্রান্তি’ এবং অন্যান্য।

 

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য অভিনেতা মনোজ কুমারের

আপডেট : ৫ এপ্রিল ২০২৫, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  শনিবার দেশভক্ত’ মনোজ কুমারের পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল। তিনটি তোপধ্বনি দিয়ে অভিনেতাকে শেষ বিদায় জানানো হয়। জুহুর পবন হংস শ্মশানে মনোজ কুমারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অভিনেতাকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন এবং সেলিম খান।

আরও পড়ুন : আবারও হাজিরা এড়ালেন কুণাল কামরা, এবার কুণালকে বয়কট করল BookMYShow

সাড়ে ১১টা নাগাদ মনোজ কুমারের শেষকৃত্যু শুরু হয়। অভিনেতার দুই ছেলে বিশাল এবং কুণাল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা অভিনেতা তথা পরিচালকের মুখে আগুন দেন। শুক্রবার মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন ‘ভারত কুমার’। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অভিষেক বচ্চন, আরবাজ খান, সুভাষ ঘাই, আনু মালিক, জায়েদ খান, প্রেম চোপড়া এবং রাজপাল যাদব শ্মশানে হাজির ছিলেন। সকালে অভিনেতার বাড়িতে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর অ্যাম্বুল্যান্স করে তাঁকে শ্মশানে আনা হয়।  জাতীয় পতাকা দিয়ে অভিনেতার দেহ ঢেকে রাখা হয়। অভিনেতার বাসভবনে গিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, পরিচালক মধুর ভাণ্ডারকর, ফারহা খান এবং তাঁর ভাই সাজিদ খান-সহ অন্যান্য বলি তারকারা।

‘শহিদ’, ‘উপকার’, ‘পূরব আর পশ্চিম’ এবং ‘রোটি, কাপড়া আর মাকান মনোজ কুমার অভিনীত জনপ্রিয় ছবি। এই সব দেশাত্মবোধক ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি ‘ভারত কুমার’ নামে পরিচিত হন। অবিভক্ত ভারতের অ্যাবোটাবাদ শহর যা বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত, এক পাঞ্জাবি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সিনেমায় অভিনয় শুরু করার আগে তাঁর নাম ছিল হরিকৃষ্ণণ গোস্বামী। স্বাধীনতার বছর অর্থাৎ ১৯৪৭ সালে দিল্লিতে চলে আসেন অভিনেতার পরিবার। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন। সিনেমায় অভিনয় করার জন্য মুম্বই চলে আসেন। মনোজ কুমারের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হল  ‘হিমালয় কি গোদ মে’, ‘দো বদন’, ‘পাত্থার কে সনম’, ‘হরিয়ালি অর রাস্তা’, ‘ক্রান্তি’ এবং অন্যান্য।