তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ সম্ভব নয়, জানিয়ে দিলেন SSC চেয়ারম্যান

- আপডেট : ৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবার
- / 44
পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার বেঞ্চের নির্দেশে বাতিল হয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীর চাকরি। চাকরি বাতিলের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কবে হবে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া? কারা অংশ নিতে পারবেন এই প্রক্রিয়ায়? শুক্রবার সংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। বৈঠকে চাকরিহারাদের খানিকটা আশার আলো দেখালেন। তিনি বৈঠকে জানিয়েছেন, “রাজ্যের তরফে চিঠি পেয়েছি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই নিয়োগের কাজ শুরু হবে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ হবে।” তবে তিনমসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন এসএসসি চেয়ারম্যান।
আরও পড়ুন: আটমাস পর থাইল্যান্ডে মোদি-ইউনূস বৈঠক
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যাঁরা আইনের চোখে দাগি নন, তাঁদের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এসএসসি চেয়ারম্যান। অর্থাৎ বয়সের ক্ষেত্রে খানিকটা ছাড় মিলবে। তবে এই মুহূর্তেই নিয়োগ সংক্রান্ত কাজ শুরু সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ নিয়ে কিছু সংশয় রয়েছে। সেবিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে হবে। তারপরই শুরু হবে নিয়োগের কাজ। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল দুর্নীতির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেল বাতিল করেছিল। সুপার নিউমেরিক পোস্ট নিয়ে মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশও দেয় হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়। ৮ এপ্রিল সেই মামলার শুনানি। সেদিন হাইকোর্টের কলমের খোঁচায় চাকরি হারিয়েছিলেন ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষককর্মী। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য সরকার, স্কুল সার্ভিস কমিশন ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। শীর্ষ আদালতে দফায় দফায় মামলার শুনানি চলছিল। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ছিল মামলার শেষ শুনানি। বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত রায় শোনায় প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার ডিভিশন বেঞ্চ। বাতিল হল ২৫,৭৫২ হাজার চাকরি।