০৫ এপ্রিল ২০২৫, শনিবার, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রয়াত ‘ভারত কুমার’ Manoj Kumar, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর

চামেলি দাস
  • আপডেট : ৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবার
  • / 34

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ও পরিচালক মনোজ কুমার (Manoj Kumar)। শুক্রবার সকাল সাড়ে চারটে নাগাদ মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানী হাসপাতালে প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে বলিউড অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বার্ধক্যজনিত একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। সিরোসিস অফ লিভার এবং হৃদরোগজনিত অসুস্থাও ছিল তাঁর। যা অভিনেতার স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটায়। ২১ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানী হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই হৃদ্‌রোগজনিত সমস্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন  বলে খবর। মনোজ কুমারের (Manoj Kumar) প্রয়াণে শোকবার্তা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ সম্ভব নয়, জানিয়ে দিলেন এসএসসি চেয়ারম্যান

১৯৩৭ সালে অবিভক্ত ভারত তথা বর্তমানে পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মনোজ কুমার (Manoj Kumar)। তাঁর আসল নাম ছিন হরিকৃষ্ণণ গোস্বামী। ১৯৫৭ সালে মাত্র কুড়ি বছর বয়সে বিনোদনের দুনিয়ায় পা রাখেন। প্রথম ছবি ‘ফ্যাশন’। ১৯৬১ সালে ‘কাচ কি গুড়িয়া’ সাড়া ফেলে দেয়। এরপর একের পর এক হিট ছবি। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৬৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুমনাম’ সিনেমাটি আয় করেছিল ২.৬ কোটি টাকা। যা সে বছর সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড করে। ‘উপকার’, ‘পূরব অউর পশ্চিম’, ক্রান্তির মতো ছবি তাঁর ঝুলিতে রয়েছে। ‘ক্রান্তি’ সিনেমায় অভিনয়ের পর থেকেই তাঁর নাম হয়ে যায় ‘ভারত কুমার’। অভিনয়ের পাশাপাশি  পরিচালনাও করেছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে ‘রোটি কাপড়া অউর মওকান’ সিনেমার জন্য ফিল্ম ফেয়ারে সেরা পরিচালকের অ্যাওয়ার্ড পান মনোজ কুমার। ১৯৯২ সালে পদ্মশ্রী পান ‘ভারত কুমার’। ১৯৯৯ সালে জীবনকৃতি সম্মান এবং ২০১৫ সালে ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কার পান।

মনোজ কুমার (Manoj Kumar) ভারতীয় সিনেমায় অন্যতম দেশপ্রেমিক অভিনেতা ও পরিচালক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বলিউডে শোকের ছায়া। পরিচালক অশোক পণ্ডিত জানিয়েছেন, “ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এক বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল।” আগামিকাল সকালে অভিনেতার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন মনোজ কুমারের ছেলে কুণাল গোস্বামী।

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রয়াত ‘ভারত কুমার’ Manoj Kumar, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর

আপডেট : ৪ এপ্রিল ২০২৫, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ও পরিচালক মনোজ কুমার (Manoj Kumar)। শুক্রবার সকাল সাড়ে চারটে নাগাদ মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানী হাসপাতালে প্রয়াত হন। মৃত্যুকালে বলিউড অভিনেতার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বার্ধক্যজনিত একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। সিরোসিস অফ লিভার এবং হৃদরোগজনিত অসুস্থাও ছিল তাঁর। যা অভিনেতার স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটায়। ২১ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই অম্বানী হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই হৃদ্‌রোগজনিত সমস্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন  বলে খবর। মনোজ কুমারের (Manoj Kumar) প্রয়াণে শোকবার্তা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: তিন মাসের মধ্যে নিয়োগ সম্ভব নয়, জানিয়ে দিলেন এসএসসি চেয়ারম্যান

১৯৩৭ সালে অবিভক্ত ভারত তথা বর্তমানে পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মনোজ কুমার (Manoj Kumar)। তাঁর আসল নাম ছিন হরিকৃষ্ণণ গোস্বামী। ১৯৫৭ সালে মাত্র কুড়ি বছর বয়সে বিনোদনের দুনিয়ায় পা রাখেন। প্রথম ছবি ‘ফ্যাশন’। ১৯৬১ সালে ‘কাচ কি গুড়িয়া’ সাড়া ফেলে দেয়। এরপর একের পর এক হিট ছবি। এরপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৬৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুমনাম’ সিনেমাটি আয় করেছিল ২.৬ কোটি টাকা। যা সে বছর সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড করে। ‘উপকার’, ‘পূরব অউর পশ্চিম’, ক্রান্তির মতো ছবি তাঁর ঝুলিতে রয়েছে। ‘ক্রান্তি’ সিনেমায় অভিনয়ের পর থেকেই তাঁর নাম হয়ে যায় ‘ভারত কুমার’। অভিনয়ের পাশাপাশি  পরিচালনাও করেছেন তিনি। ১৯৭৫ সালে ‘রোটি কাপড়া অউর মওকান’ সিনেমার জন্য ফিল্ম ফেয়ারে সেরা পরিচালকের অ্যাওয়ার্ড পান মনোজ কুমার। ১৯৯২ সালে পদ্মশ্রী পান ‘ভারত কুমার’। ১৯৯৯ সালে জীবনকৃতি সম্মান এবং ২০১৫ সালে ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কার পান।

মনোজ কুমার (Manoj Kumar) ভারতীয় সিনেমায় অন্যতম দেশপ্রেমিক অভিনেতা ও পরিচালক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বলিউডে শোকের ছায়া। পরিচালক অশোক পণ্ডিত জানিয়েছেন, “ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এক বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল।” আগামিকাল সকালে অভিনেতার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন মনোজ কুমারের ছেলে কুণাল গোস্বামী।