জনমানবহীন দ্বীপেও ১০ শতাংশ শুল্ক ট্রাম্পের!

- আপডেট : ৩ এপ্রিল ২০২৫, বৃহস্পতিবার
- / 17
পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: চারিদিকে বরফে ঢাকা ছবির মতো মহাদেশ আন্টার্কটিকা। এই নির্জন দ্বীপের বাসিন্দা পেঙ্গুইন, পাখি এবং হিমবাহ। এবার সেই নির্জন দ্বীপেও চালু হল আমেরিকার শুল্ক নীতি। নিরিহ প্রাণীরাও রেহাই পেল না ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কের কোপ থেকে। অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখন্ডের সঙ্গে ১০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছে এই দ্বীপগুলিতেও। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরের সাব-অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের জনমানবহীন হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জও। যেখানে কোনও মানুষ বসবাস করে না। এই সব দ্বীপে মানুষের শেষবার পা পড়েছিল প্রায় এক দশক আগে। বুধবার গভীর রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি চালু হয়েছে। রাশিয়াকে ছাড় দেওয়া হয়েছে এই নীতি থেকে। তবে চিন, ব্রিটেন-সহ বিশ্বের নানা দেশের ওপর কর চাপিয়েছে ট্রাম্পের আমেরিকা। এই তালিকায় রয়েছে ভারতও। অস্ট্রেলিয়ার এই নির্জন দ্বীপে চাপানো হয়েছে ১০ শতাংশ শুল্ক।
আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া শুল্কনীতি নিয়ে বিশ্বে অস্থিরতা
সাংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত নথি অনুসারে, এই দ্বীপগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। যা ‘মুক্ত হস্তক্ষেপ ও বাণিজ্য বাধা’ তৈরি করে। প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের ওপর ‘ছাড়কৃত প্রতিশোধমূলক শুল্ক’ আরোপ করেছে।অস্ট্রেলীয় সরকারের ওয়েবসাইটে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জকে ‘পৃথিবীর অন্যতম দুর্গম ও বন্যতম স্থান’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক প্রোগ্রামের তথ্য অনুসারে, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ফ্রিম্যান্টল বন্দর থেকে নৌপথে সেখানে আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে পৌঁছাতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে। সংরক্ষিত প্রাণী পেঙ্গুইন, সিল ও পাখির আবাসস্থল এই দ্বীপগুলি। রাষ্ট্রসংঘের ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত এই দ্বীপগুলো। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘পৃথিবীর কোনও জায়গাই নিরাপদ নয়।‘